বিবর্তন আর আবর্তনে এসেছিলো তেইশ। আমি হাসি-খুশি আর মনস্তাত্ত্বিক স্বপ্নের কারাগারে বন্ধি করার ভাবনাতে ভাবিত হই। পথগুলো সুশ্রী আর মসলিন ভেবে আমার আবেশের শহরে আমার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সচেতন হই দয়াহীনতা আর অদূরদর্শীতায় বেড়াজালে।
কৌতুহল বশত তোমার পিছু চলতে শুরু করি। তুমি ছিলো স্বপ্নের
এক ছোট্ট বীজ। তোমার যত্নের যথার্থতায় ব্যাঘাত ঘটে ব্যক্তিত্বের ব্যাধি আর ট্রমা লব্ধ
জ্ঞানের মিশেলে।
সময়ের মাঝে অথবা সময়ের মোক্ষম সুযোগে ব্যর্থতা আর নিতান্তই ছেলেমানুষী স্বভাবের অস্তিত্বের লব্ধি হিসেবে আত্মপরিচয়ের সংকট। বেঁচে থাকার স্বপ্ন এখনো প্রবল ভাবে অলালিত। তবুও প্রায়শই জীবন্তকে সুন্দর ভেবে আমি পৃথিবীতে প্রাণবন্ত। সানা-র বক্তব্যই সত্য লাগে।
মস্তিষ্কের ভ্রষ্টতার ভোগান্তি আমৃত্যু বয়ে বেড়ানো বৈ
কোনো পথ দেখি না। দ্বিধান্বিত আমার সভ্যতা। রাফি হয়ে কেনো উঠি নি অথবা পার্বতী'র ছোঁয়া
কেন জটিলতায় ভূগেছিলো অথবা দ্বৈত আচরণে আবৃত হওয়া থেকে বেঁচে গিয়ে যে ভ্রষ্টতার জন্ম,
সেখানে আমি অরক্ষিত।
নতুন বছর রঙ্গিন হোক তা চাই না। রঙ্গিন শব্দ-ই একটা ফাজিল লাগে। অর্থনৈতিক অস্বচ্ছতা আর কালচারাল এথিক্সের অবাধ বিবর্তনে আমি বিমর্ষিত।
বাস্তবিকার্থে, আমার মনজগত ধ্বংসের দারপ্রান্তে। বিকৃত
শব্দ-ই এখানে যথার্থ। সময়ের কারাগার ভেঙে যেদিন বের হবো অসীমের তরে, সেদিন আমার আমি
আঙ্গারের ফল।
চব্বিশে কি অশ্ব জুটবে আমার ভাগ্যে? নাকি সে একুশের সমাপ্তি টেনে ত্রিশের কৌটায় নাম লেখাবো? না। শুধু মস্তিষ্ককে সুখে রাখতে পারা বড় সফলতা।

Comments
Post a Comment
Thank you!