সকাল ৯টা থেকে আউটলেট বন্ধ করা পর্যন্ত (১৪-১৬ ঘন্টা)
একজন সেলস এসিস্টট্যান্ট (সেলস ম্যান-SA) হিসেবে কর্ম যাপনের দিন ৩০ দিনে রুপ নিবে
আজকের(১৬জুন) দায়িত্ব পালন সম্পন্ন করলে।
সময়ের কাটায় এখন সাড়ে ৩টা ছুই-ছুই। রুমে একা। ইউনিটে
একজন সিনিয়র ভাইয়ের অস্তিত্ব থাকলে তার সাথে গতকাল(১৫জুন) দেখা হয়েছিলো।
এরিয়া ম্যানেজারের ইন্টারভিউ এর কথা মনে পড়ে। তারপর
দীর্ঘ ২৩ দিন কর্মে যাপিত হওয়া। আবার কল আসা। সিভি জমা দেওয়া। আবার যাপিত হচ্ছে সময়
বন্দি-কারাগারে।
শরীরের আবেশে এই সাত দিন আমি অসুস্থ হয়েছি খুবই ভিন্ন
ভাবে। যা তার পূর্বের ২৩ দিনে দেখা দেয়নি। সম্ভবত ডেটল সাবান ব্যবহার ছেড়ে দেওয়ার
সুফল।
রমাদানের অনুভুতি আর এই সাত দিনের অনুভূতির যে ভিন্নতা
তার সৌন্দর্যে আমি বিমোহিত।
কাচ্চি খাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও তা এখন বিলীন। যেখানে উপার্জনের পথ রুদ্ধ, খরচের পথ তবে কেনো জিইয়ে রাখবো? তাই শখ-আহ্লাদকে অন্য পাশে রেখে দিতে চেষ্টা করছি ভীষণ ভাবে। তবুও........
ফজরের আজান শুনতে পাচ্ছি। অনেক দিন পর। কতক্ষণ ঘুমাবো
আজ রাতে তাই ভাবছি সখা!
সেই দীর্ঘ ২৩ দিনে-
রাতের সময় বিলাশীকে পাওয়া ছিলো আমার সময় যাপনের মোক্ষম
অস্ত্র। তার অনুপস্থিতে আমি প্রবল একা বোধের অনুভূতি উদয়ে হয়েছিলো বারে বার।
কিন্ত, এই সাত দিনে? বিলাশীর সাথে প্রকারান্তে বিচ্ছেদ,
আফরিনের সাথে স্বল্প সময় কথা বলার চেষ্টা ছিলো উদ্দেশ্যহীনভাবে হেটে বেড়ানো। তাও আমার
ব্যস্ত সময়ে সময় বের করে কমিউনিকেশন। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ছিলো মিথ্যে চলনা।
তারপর? আমার সেই প্রিয় মণি। যাকে(যে) সঙ্গ দিয়ে আসছি(আসছে)
সেই এক দশকের কাছাকাছি সময় ধরে। মাঝে মাঝে আমাদের বিবাদ হয়। আবার সব ঠিক।
অথচ, তাকে ফেসবুকে আনফ্রেন্ড করে রাখছি সেই বহু আগে।
নারীর টানে চৌমুহনী গমন, তা সত্য আবার মিথ্যা। এই স্টেশন
প্রীতি আমার বেঁচে থাকার অণুপ্রেরণা ছিলো, তা কি করে ভুলি?
লক্ষ্মী, প্রশ্নের উত্তরে কি এখনো জটিলতায় ভুগছো?
কল্পনার জগত ভীষন সুন্দর। সাজিয়ে নিতে পারি নিজের মত।
আমার প্রতিটা শব্দ লিখন- শব্দ চয়ন একান্ত নিজের। নিজে
পড়ে লেখা বুঝতে সক্ষম হওয়ায় আমার প্রধান চিন্তা। অন্যদের কথা ভাবিনা।
বিলাশী কিংবা আফরিন , কিংবা মণি। সব ছাপিয়ে আমার সুন্দর
ভাবে বেঁচে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ। ব্যর্থতা প্রিয় এখানে।
বিদায় Lotto Sport Bangladesh, আবার কি দেখা হবে আমাদের?

Comments
Post a Comment
Thank you!