ভালোলাগার সমীকরণে তাকে নিয়ে বিরহ জাগে কেনো?

সেদিনের পর থেকে আমার মনস্তাত্ত্বিক বোরিং ফিলিংস এর জন্ম। সাথে তৈরি হয় খাওয়ার অরুচি। হলের খাবারের প্রতি এমনিতে আছে ভালো না লাগা, বলি তাকে জঘন্য। এই জঘন্য শব্দটা মাথায় ঢুকিয়েছিলো এক মহীয়সী।

পহেলা ফেব্রুয়ারি কাটে মামা বাড়ি। খাওয়ার অরুচি সেখানেও। জোর করে খাওয়ার ফল স্বরুপ তৈরি হয় এক অস্বস্থি। বমিভাবের উদ্ভব, কষ্টসাধ্য ঘুম। তারপর দোসরা ফেব্রুয়ারি : অন্য এক বাড়ি। সেখানেও খেতে না পারার ব্যর্থতা আমায় ছাড়েনি। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও আমার খেতে বসলে যত সমস্যা। রাতে ফিরি হলে। খেতে গিয়ে সেই একই সমস্যা।

এদিকে আমার মনস্তাত্ত্বিক বোরিং ফিলিংস উদ্ভবের কারণও ফালতু।

৩১ জানুয়ারি থেকে একটা ফেসবুক একাউন্ট থেকে আমাকে মেসেজ দেওয়া হচ্ছিলো। আমি বিয়ে করবো না কেনো, সেটা নিয়ে তার আগ্রহ।
আজকে আমি তারে ধরলাম। ডাইরেক্ট কল রিসিভ করে না। ফেইক একাউন্ট কেন ব্যবহার করে আমাকে মেসেজ দিচ্ছে তা জানতে চাইলাম। এক পর্যায়ে সে আমারে ব্লক করে দেয়। আমিও পালটা।

অন্যদিকে, আরেক ব্যাচমেট আমারে ব্লক করে রাখছে। ব্লক থেকে উঠাবে না। অন্য আইডি থেকে মেসেজ দিলাম। সে এখন থেকে অনলাইনে আসে না। আমারে কোন পাগলে পাইছে কে জানে,, ওর ব্লক লিস্ট থেকে উঠার চিন্তা মাথায় ঘুরতেছে। আমার প্রিয় একজন মানুষ!

 


Comments