কল্পনায় যে এঁকেছি ছন্দ সে কি বৃথা?


কল্পনা-১ 
সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন ছেড়ে এই অবেলায় বিকৃতির অবগাহনে ডুবে থাকার মর্মার্থ সম্পর্কে নিজে অজ্ঞাত নয়।   অথচ   তাদের মত আমি এটাকে কেন বিকৃতি না ভেবে নিছক বিনোদন আর আনন্দের খোরাক ভাবতে পারিনা?  মস্তিষ্কের জ্ঞান-পাপাচারে সীমা অসহ্যতায়  চলে গেছে।
কল্পনা-২ 
আমি বরং 'নিজস্ব' শব্দের বাইরে গিয়ে 'নিয়ন্ত্রিত' শব্দে আটকে থাকি। কোনো কিছুই এলোমেলো থাকার পথে না হাটা স্বত্ত্বেও পুরো পৃথিবী'তে এলোমেলো বিহীন কোনো অস্তিত্বের সন্ধান পায় না। 
কল্পনা-৩
মস্তিষ্ক আর বাস্তব-বিমূর্ততার বৈচিত্যতায়  যে দ্বিধা আবিষ্কার করি, তার সমাধানে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বিকৃতির অবগাহন।  আত্মহননের চিন্তায় ছেদ না পড়লেও তা বাস্তব-বিমূর্ততার বৈচিত্যতায় শ্বাস-প্রশ্বাস  চলমান। 
কল্পনা-৪
সহজ করলে সহজ হবে/ জটিল করলে জটিল হবে, এ বাক্যগুলোর  আবিষ্কর্তা আমি না হলেও সহজ আর জটিলের মাঝে জটিলতায় আটকানোর স্বভাব নিত্য।  জটিলে  না জড়ালে অর্থাৎ বিকৃতির অবগাহন ব্যতিত স্বস্থির খোঁজে মনস্তাত্ত্বিক অস্থিরতায় ডুবে যায়। সবকিছু ভালো না লাগার শিকলে আবদ্ধ হতে সময় নেয় না। 

কল্পনা-৫ 
একটা দীর্ঘ পরিবর্তন অথবা সুস্থ নিরবতার প্রয়োজন বোধ দীর্ঘকালের। প্রিয় শহরে ফিরে যাওয়ার আকুলতা কখনো নিঃশেষ হবে বলে মনে হয় না। অথচ, সেই শহরের রেলস্টেশন হয়ে ছিলো আমার বাঁচার প্রেরণা। তোমাতে মিশে যেতাম খারাপ লাগায়। তুমিও ব্যর্থ হলে আমাকে সু-পথে রাখতে।  তোমাকে ছেড়ে আসার পরবর্তী গ্রাফ আরো নিন্মমুখী। 
কল্পনা-৬
বাইশের ছন্দিত জীবনের সাথে আমার যা ছিলো সংযুক্ত, তার বিচ্ছিন্নতার ভরাডুবিতে আমি দ্বন্ধে জড়াই নিজস্ব চিন্তা-কর্মে। চিন্তা তৈরি করে অলস স্বভাবের বদৌলতে গ্রাফের ঊর্ধবমুখীতা বিলীন। অতি স্বচ্ছতা নয়ত শূন্যতায় ডুবে থাকা। এত আনকালচারাল-অযোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ এই খোলা ময়দানে। আর কর্মে আত্মবিশ্বাস দেখানোর প্রবণতা তো শূন্য বটে।

জানি, এ পথ সুন্দর নয়।। তবুও প্রশ্ন তৈরি করি, এ পথে আটকে আছি  কেনো? রবের আশ্রায়ন থেকে বহু দূরে।
লিখেছেন- আরিফুল ইসলাম 

Comments