রেজিমেন্ট থেকে নির্দেশ আসার পর আমাদের দায়িত্বপালন শুরু হলেও আমি শুরু করি আজ (৯ আগস্ট ২০২৪) বিকেলে। ২য় শিফটে! সে সুবাধে, আমাদের নির্দিষ্ট ড্রেস কোডে আমি ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনের জন্য রাস্তা নেমে পড়ি।
সময় যত যাচ্ছে যানজট নিরসনে কি করা উচিত ছিলো, সেসব মাথায় আসছিলো। চিন্তা-ভাবনাগুলো যেন অনন্য লাগছে আজ!
দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মানুষের হাস্যোজ্বল চেহারা সবচেয়ে বেশি আনন্দিত করে! কেউ কেউ আবার স্যালুট দিতে জানে। বেশ!
নারীদের আচরণে আমরা যেন তাঁদের খুব কাছের কেউ। রাস্তা পারাপার করে দিই, গাড়ি দেখিয়ে দিই। অনেকে যা করে, নিজের সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে নানান জিনিস আমাদের দিয়ে বসে! কেন যে দিতে চাই তা জানি না। নিজের পকেটে জমতে থাকে যেসব! এই পোস্টের ছবিতে রয়েছে সেই নানান জিনিসের একটা প্রমাণ।
আবার আশ্চর্য হই- যখন দেখি মেয়েদের মুচকি হাসি। আরেহ বাহ-বা! চোখ আর মুখের দিকে নজর দিয়ে যা দেখি তা বিভ্রান্তিকর।
চোখ সরল পথে চলমান না রেখে তারা আমাদের পানে তাকিয়ে। আড়চোখে তাকিয়ে দেখে আমাদের। আসলে কি তারা আমাদের দেখে? নাকি আমাদের গায়ের ঐ ড্রেসের পানে তাকায়? এই বড় আশ্চর্যের বিষয়।
একবার ইচ্ছে করেই একটা মেয়ের আচরণ অবজার্ভ করার চিন্তা দ্বিতীয়বার সেই গাড়ির সামনে মুভ করি। সুযোগ ছিলো ও বটে। সেই একই রকম মুচকি হাসি লেগে আছে তার চেহারায়! নয়ন যুগল ঠিক আমার পানে।
মাতৃভূমির মানুষগুলো ভীষণ ভিন্ন। বদলে যাক সব। শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক এই জন্মভূমিতে। শান্ত থাকুক পুরো পৃথিবী।
09 August 2024
Near Hon's Campus, NGC

Comments
Post a Comment
Thank you!